বাংলাদেশ সকাল
শনিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৫ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

চিনির জিলাপি বিক্রি করে সাবলম্বী আত্রাই মধুগুড়নই গ্রামের ইসরাফিল

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ১১, ২০২৫ ৭:৩০ অপরাহ্ণ

 

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ: সৎ পথে থেকেও ছোট খাটো ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। নওগাঁর আত্রাই উপজেলার প্রাণকেন্দ্র উপজেলা কেন্দ্যীয় জামে সমজিদ ওউপজেলা ভূমি অফিসের পশ্চিম পাশ্বে রাস্তার সামনে ছোট একটি দোকান নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে চিনির ঝিলাপি বানাতে শুরু করেন আব্দুল ঘফুর খাঁ। বাবাকে সহতযোগিতা করার জন্য মাঝে মধ্যে দোকানে এসে বসতেন মোঃ ইসরাফিল আলম (১৭) হঠাৎ একদিন ইসরাফিলের বৃদ্ধ বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন দোকানে এসে জিলাপি বানানো সম্ভব হয় না তার বাবার। নওগাঁর আত্রাই উপজেলা ইসরাফিল আলমের বাড়ি,জন্ম আত্রাই উপজেলার মধুগুড়নই গ্রামে। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল ভালো স্কুলে পড়াশুনা করে সরকারি চাকরি করবে। সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে তার।

ইসরাফিল আলম বলেন, ২০-২৫ বছর আগে মাত্র ৩০ হাজার টাকা লোন নিয়ে বাবা এই কাজ শুরু করেছিলেন। তখন আমি বাবাকে সহতযোগিতা করতাম। একটা সময় বৃদ্ধ বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় আর কাজ করতে পারতেন না। তাই আমাকে সংসারের হাল ধরতে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রতিদিন সকালে আমি বাজারে গিয়ে তেল, ময়দা, চিনি কিনে দুপুর তিনটার পর থেকে জিলাপি বানানো শুরু করি আর রাত দশটার পযন্ত অবিরাম গতিতে চলতে থাকে। প্রতিদিন আমার চার-পাঁচ হাজার টাকা বেচাকেনা হয়। কমচারী ও অন্যান্য সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতিদিন এক হাজার থেকে ১২ শত টাকা থাকে। বাড়িতে আমার মা, ছোট ভাই-বোনও আমারস্ত্রী ২ সন্তান ১ মেয়ে নিয়ে থাকি। মায়ের চিকিৎসার খরচ তো আছেই। আমার সংসারের সব খরচ এই ব্যবসার আয় দিয়ে চালাতে হয়। ছোট ভাইকে চার লাখ টাকা ও আমার  বড় সন্তানকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠিয়েছি। আমার বেশি ভাগ কাষ্টমার সরকারী অফিসের অফিসার ও কর্মচারীরা, স্কুল- কলেজ ওস্থানীয় ব্যবসায়ী সবাই আমার দোকানের জিলাপি খায়। কাষ্টমার ধরে রাখতে জিলাপির মান ভালো করার চেষ্টা করি। একা এতো কাজ করতে পারি না তাই দুই/তিনজন কর্মচারী থাকে সব সময়। প্রতি সপ্তাহে প্রায় দেড়-থেকে দুই মন জিলাপির অর্ডার থাকে। আমার থেকে কাজ শিথে আমার কমচারীরা আশেপাশে জিলাপির দোকান দিয়েছে, তারা সবাই তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ভালো আছেন।

আমার তিন ধরনের জিলাপি তৈরি করি রেশমি জিলাপি ৩০০ শত টাকা, সোম্বাই জিলাপি ২০০শত টাকা ও সাধারন জিলাপি ১৮০ টাকা করে কেজি বিক্রি করি। পরিশেষে আমি সবার উদ্দেশ্যে একটি কথা বলতে চাই, আমরা যারা অল্প শিক্ষায় শিক্ষিত তারা বড় চাকরি বড় ব্যবসা না খুঁজে আমার মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হয়ে জীবনটাকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা খুবই সহজ।

ইসরাফিলের দোকানের একজন নিয়োমিত কাস্টমার চাউল ব্যবসায়ী মোঃ মফিজ উদ্দিনের কাছে জানতে চেয়েছি তার চিনির জিলাপির মান কেমন। তিনি সাংবাদিককে বলেন,আমি সাহেবগঞ্জ বাজারের একজন ব্যবসায়ী আমি তার পাশে অনেকদিন থেকে ব্যবসা করি। তার চিনির জিলাপি খেতে আসি এবং পরিবারের জন্য বাসায় নিয়ে যাই।কথনো কোন ধরনের খারাপ জিলাপি পাইনি।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত; এড. আতাউর রহমান শামিম এর স্মরণে নিরবতা পালন

যশোরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ তিন আ.লীগ কর্মী আটক

কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের আরিফ সভাপতি ও এন আলম সম্পাদক নির্বাচিত

স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে ডেকে নিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ 

নৌকার সমর্থনে হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিক কর্মচারিদের সভায় আবুল হোসেন আবু

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ মঞ্চায়ন

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ব্রাসিলিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান বিজয় দিবস-২০২৩ পালিত

শেরপুর শ্রীবরদীতে বালু পাচারের খবর জানিয়ে হামলার শিকার জুলাইযোদ্ধা

আবুধাবির এলেক্ট্রাতে দেশীয় প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করলেন এমপি সনি

শেরপুরে প্রথমবারের মতো শুরু হলো প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ