মনোয়ারুল ইসলাম, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি॥ মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেতে যাচ্ছে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার আরও ১৫০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।
আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ৪র্থ পর্যায়ে উপজেলার দুটি ইউনিয়নে ১৫০ পরিবারকে মোট ২,৭৯,৫০০ টাকা ব্যয়ে সরকারি খাস ২ শতাংশ জমিসহ সেমি পাকা ঘর নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে।
‘মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা’ প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করতে উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নে ১শ’টি ও আলমবিদিতরে ৫০টি গৃহনির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের চতুর্থ ধাপের এ নির্মাণ কাজ দ্রত সমানতালে এগিয়ে চলছে।
লক্ষীটারি ইউনিয়নের সুবিধাভোগী সুজন মিয়া ও সাইফুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সেমি-পাকা মেঝে ও দেয়ালঘেরা টিনশেড ঘরে খুব ভাল ভাবেই বাস করতে পারে ছোট একটি পরিবার। এতোদিন আমাদের কোন জমিজমা ও মাথা গোজার আশ্রয় ছিলো না, আমরা দূর্বিসহ জীবনযাপন করেছিলাম এখন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাওয়ার খবরে আমরা খুশি। আল্লাহ চাইলে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরে পরিবারকে নিয়ে আনন্দে সুখে-শান্তিতে থাকতে পারবো।
আজ মঙ্গবার সরেজমিনে দেখা যায়, ইস্টিমেট অনুযায়ী সঠিক নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি হচ্ছে ঘরগুলো। ঘর নির্মান কাজের অগ্রগতি ও কাজের মান নিয়ে লক্ষিটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ হচ্ছে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত কাজের তদারকি করছেন। কাজ সঠিক ভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। আমার ইউনিয়নে প্রকল্পটি হচ্ছে আমি নিজে নিয়মিত কাজের তদারকি করছি। আমাদের অভিভাবক মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব মশিউর রহমান রাঙ্গা এম’পি যেখানে সার্বক্ষনিক এলাকার উন্নয়নমূলক কাজগুলোর খোজ খবর রাখেন সেখানে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার কোন সুযোগ নেই। কেউ যদি বলে কাজের মান খারাপ হচ্ছে তাহলে বুজে নিবেন তাদের উদ্দেশ্য খারাপ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে শুরু থেকে গোটা দেশে একটি স্বার্থান্বেষী মহল প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে আসছে তারা উন্নয়ন মেনে নিতে পারেননা।
কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মুনিমুল হক বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে আমরা সুবিধাভোগীদের মাঝে ঘরগুলো যাতে হস্তান্তর করতে পারি সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইউএনও স্যার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়েই সার্বক্ষণিক কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ তামান্না বলেন, আমি নিয়মিত তদারকি করছি সুন্দরভাবে নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। ঘরগুলো নির্মাণে নিন্মমানের যাতে কোন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা নাহয় সেদিকে কড়াদৃষ্টি রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।




















