পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভার সুগার ক্যান্ট সেন্টার থেকে আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের বটতলীহাট জিসি রোড পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলছে। রাস্তার দু-ধারে থাকা কৃষকদের জমি থেকে শতভাগ মাটি খনন করে রাস্তা প্রশস্তরের কাজে ব্যবহার করেছে ঠিকাদার।
রোববার (২৩ মার্চ) কৃষকরা তাদের ক্ষতিপূরনের দাবীতে সকাল ও বিকেলে মাটি খননের কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে কাজ বন্ধ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
ভুক্তভোগী এক কৃষকের ছেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্য মোঃ আসাদ বলেন, ২০/৩০ হাজার টাকা মাটি ভরাট করতে গেছে৷ মাটি খনন করায় জমির প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। ব্যাপক সার দেওয়ার পরও আগের মতো আবাদ (কৃষি) হচ্ছে না। এক বছর আবাদ করতে পারিনি। জমির উর্বরতা নষ্ট হয়েছে। আমার সব মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে।
কৃষক আসাদুজ্জামান বলেন, আমার অনুমতি ছাড়াই আমার দুই শতক জমির মাটি তারা খনন করেছে। আমি কোনো ক্ষতিপূরন পাইনি। এছাড়া সেখানে উপস্থিত থাকা প্রায় ১০ জন কৃষক বলেন, আমাদের অনুমতি না নিয়েই তারা মাটি খনন করেছে। আমাদের জমির উর্বরতা নষ্ট হয়েছে। আমরা হিয্যানুযারী ক্ষতিপূরণ দাবী করছি এবং ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত আমরা ঠিকাদারকে কাজ করতে দিব না।
এ বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মুনসেফ বলেন, কৃষকরা কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে না। তারা উপজেলা, জেলা এলজিইডির সাথে কথা বলুক। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে ৪০ ভাগ মাটি রাস্তা সংলগ্ন কৃষকের জমি থেকে ও ৬০ ভাগ মাটি বাইরে থেকে ভরাটের নিয়মের বিষয়ে সম্প্রতি জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ জামান বলেন, হ্যাঁ এই নিয়মটি থাকবে। অনেক জায়গায় দোকান আছে, বাসা আছে, কানভার্ট ও পুকুর আছে, এই জায়গাগুলোতে তো ঠিকাদার মাটি পাবেনা। ওইজন্য ওইরকম কন্ডিশন করে দেয়া থাকে। যেহেতু বাইরে থেকে মাটি আনতে টাকা আছে, তাহলে সে (ঠিকাদার) বাইরে থেকে আনবে। কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করে নিবে কেন ? গত রোববার (১৬ মার্চ) জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ জামানকে জনস্বার্থে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক অ্যাড: মেহেদী হাসান মিঠু।




















