নিজস্ব প্রতিবেদক বাবলু মিয়া॥ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার তালিনা গ্রামে (২৩শে-এপ্রিল) ঈদের পরের দিন রবিবার বিকালে ৯ বছরের এক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
সরজমিনে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, তালিনা গ্রামের চতুর্থ শ্রেনীর স্কুল পড়ুয়া এক কন্যা শিশু কে তাদের ছাগলের ঘাস কেটে দেওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী মাঠে নিয়ে যায় তারই আপন ফুফা মোঃ হাবিল হোসেন (৩৬)। মাঠে নিয়ে ঘাস কাটার এক পর্যায়ে ঈদের পরের দিন মাঠে কোন মানুষ না থাকার কারনে পার্শ্ববর্তী মোঃ ইকবাল হোসনের পেয়ারার বাগানে জোর পূর্বক ঐ কন্যা শিশু কে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের শিকার শিশুটি বাড়ি এসে তার পিতা মাতা কে সব বলে দেয়।জানানোর পূর্বেই ধর্ষক গা ঢাকা দিয়ে গান্না বাজারে চলে যায়।
ধর্ষণের শিকার শিশুর অবস্থা খারাপ দেখে ধর্ষক হাবিল কে গান্না বাজার থেকে উত্তেজিত জনতা বাড়িতে নিয়ে এসে বেধড়ক মারপিট করে পুলিশে খবর দিয়ে তাদের কাছে সোপর্দ করেন।ধর্ষিতা কে চিকিৎসার জন্য কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন আমাদের এখানে ভর্তি ছিল প্রসূতি ওয়ার্ডের এক্সামিনেশন রুমে। আজ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মোঃ হাবিল হোসেন পিতা মোঃ আব্দুল রশিদ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে তার বাড়ি ১৪ বছর আগে ধর্ষিতার ফুফু কে বিবাহ করে।
এরপর তালিনা গ্রামে শ্বশুর বাড়ি চলে আসেন ৫ বছর আগে। ধর্ষিতার ফুফু জানান এখানে বসবাস করছিলাম এক সাথে আমার স্বামী চটপটি ফুসকার বিক্রি করতেন আজ একমাস বন্ধ অনেক সমিতি থেকে ঋন নিয়ে কোন রকম একটি ১১ বছরের ছেলে ও ৮ বছরের কন্যা সন্তান নিয়ে খেয়ে না খেয়ে পরের বাড়ি কাজ করে যা পায় তা দিয়ে কোন রকম চলে আসছিলাম।
এরমধ্যেই এই কাজ করে বসলেন,এখন আমি কিভাবে সমিতির ঋণের টাকা পরিশোধ করবো আর কি দিয়ে আমার ছেলে মেয়ের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দেব বলে কাঁদতে থাকেন আর বলেন, এখন আমি কি করবো।
বিষয়টি নিয়ে তালসার পুলিশ ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক এস আই মোঃ আজগর আলী বলেন,ধর্ষক’কে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় মেয়ের পিতা বাদী হয়ে কোট চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা করেছেন। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষা ও আসামী ২২ ধারা করানোর জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।




















