বাংলাদেশ সকাল
শুক্রবার , ২৫ অক্টোবর ২০২৪ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ডিমলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ৫০ পরিবার ভোগান্তিতে

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ২৫, ২০২৪ ১০:৫৪ অপরাহ্ণ

 

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ছাতুনামা গ্রামের কেল্লাপাড়া তিস্তা নদীর দুর্গম চরে নিচু জমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। বর্ষা মৌসুমে এসব ঘরে পানি ওঠে। বসবাসে ভোগান্তি হওয়ায় অনেক উপকারভোগী রুমে তালা দিয়ে অন্যত্র চলে গেছে।

বাসিন্দাদের অভিযোগ,সাবেক সরকারের আমলে অপরিকল্পিতভাবে চরের নিচু জায়গায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানিতে ডুবে যায়। এতে প্রকল্পের দেড় শতাধিক মানুষ বছরে ২/৩ মাস পানিবন্দী থাকে।

ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কেল্লাপাড়াটি তিস্তার দুর্গম চরে অবস্থিত হওয়ায় এলাকাটিতে জনবসতি কম।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে কেল্লাপাড়া গ্রামে তিস্তা নদীর জেগে ওঠা চরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। জনপ্রতি দুই শতক জমিসহ ও একটি করে ঘর নির্মাণে মোট বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা।

স্থানীয়রা জানান, যে স্থানে ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, সেখানে ১৫ বছর আগে নদীর প্রবাহ ছিল। পরে নিচু জায়গায় জেগে ওঠা চরে আশ্রয়ণের ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়।

সরেজমিন দেখা গেছে, প্রকল্পের ঘরগুলো উপজেলার শেষ সীমানায় দুর্গম চরে নির্মাণ করা হয়েছে। এলাকাটির চারদিকে তিস্তা নদী। বর্ষায় পানিতে তলিয়ে যায়।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা জানায় বর্ষায় প্রকল্পের চারপাশে কোমরসমান পানি থাকে। ঘরের জানালা পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকে। যাতায়াতের রাস্তা নেই। বর্ষাকালে পানি-কাদায় চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেকে নামমাত্র দামে ঘর বিক্রি করে অন্যত্র চলে গেছেন।

প্রকল্পের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে বাস করেন। সামান্য বন্যাতেও নদীর পানি ঘরে ঢুকে পড়ে। তাঁরা জিনিসপত্র, চাল-ডাল, গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপদে পড়েন। এমন মানবেতর জীবন যাপন করতে কে এসব ঘরে থাকতে চাইবে? প্রশ্ন করেন তিনি।

বানেছা বেগম নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘সরকার হামাক এমন জায়গাত ঘর দিছে, বছরের পাঁচ মাস পানিবন্দী থাকির নাগে। ছাওয়া গিলা স্কুল যাবার পায় না। বড় বান আসিলে হামাক ঘরোত পানিতে মইরবার নাগিবে।’

এলাকার লোকজনের অভিযোগ, জেনেশুনে নদীর চরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা ঠিক হয়নি। উঁচু জায়গায় ঘরগুলো করা হলে প্রকল্পের বাসিন্দাদের এত দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।

‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও’ সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য সোহেল হাসান বলেন, ‘এই আশ্রয়ণ প্রকল্প ভূমিহীনদের জন্য বড় আশীর্বাদ হতে পারত। কিন্তু নিচু জায়গায় অপরিকল্পিত প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। দিন শেষে তাঁদের উদ্বাস্তু হওয়ারই দশা দেখা দিয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারের কোটি কোটি টাকাও অপচয় হলো।’

ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগেই সেখানে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়। তবে বাঁধের বাইরে নদীর চরে ওই ঘরগুলো নির্মাণ করা ঠিক হয়নি। বাঁধের ভেতরে ঘর নির্মাণ করলে এ সমস্যা হতো না।’

ঘর নির্মাণ কমিটির সদস্যসচিব পিআইও মেজবাহুর রহমান বলেন, প্রকল্পের জায়গা নির্ধারণের দায়িত্ব ভূমিসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। তাঁরা শুধু প্রকল্পের ঘর নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মিয়া বলেন, ‘আমার যোগদানের অনেক আগে আবাসন প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। তবে প্রকল্পের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার হবে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

যশোরে র‍্যাবের হাতে ফেনসিডিল সহ দুইজন আটক 

সীতাকুণ্ডে মহসিন ফাতেমা যুব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নলেজ শেয়ারিং সেশন শীর্ষক এক কর্মশালা সমপন্ন

ঝিনাইদহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৩

গঙ্গাচড়ায় কৃষকের ভুট্টা ক্ষেত রাতের অন্ধকারে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করল দুর্বিত্তরা

সুনামগঞ্জে বিএনপির ডাকে ঢিলেঢালা হরতাল পালিত, চলেনি দূরপাল্লার কোন যানবাহন 

কক্সবাজার-কস্তুরাঘাটের নতুন সেতু উদ্বোধন 

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ জনের মধ্যে একই পরিবারের ৪ জনের বাড়ি ডাসার উপজেলায়

লোহাগড়ায় ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও ওয়াজ মাহফিল

যশোরে ইজিবাইক থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

রাঙ্গাবালীতে ১২ হাজার টাকার জন্য সন্ত্রাসী কাকন বাহিনী কর্তৃক নারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন