নিজস্ব প্রতিবেদক : গত তিন মাস আগে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার মুক্তার পাড়া গ্রামের মৃত বাতেন মোল্লার ছেলে ভারসাম্যহীন সাদ্দাম মোল্লা নিখোঁজ। এদিকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে তার বড় ভাই মজনু মোল্লা গফরগাঁও থানায় জিডি করে। আদরের সন্তান সাদ্দামের খোঁজ না পেয়ে তার মা আমেনা বেগম পাগল প্রায়। দীর্ঘদিন খোঁজ না পাওয়া ছেলেকে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন।
বিষয়টি কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মানবতায় পুলিশ আবারো দেখিয়ে দিলেন। তার দেওয়া ফোন যেন হারানো ছেলেকে পাওয়ার আশা জাগায় আমিনা বেগমের মনে। পরিচয় নিশ্চিত হয়েই সেদিন রাতেই কাশিনাতে ছুটে আসেন আসেন সাদ্দামের ছোট ভাই সাব্বির ও বড় ভাই মজনু মোল্লা। তিন ভাইয়ের মিলনে এক আবেগঘন পরিবেশে সৃষ্টি করে।
নিখোঁজ সাদ্দামকে উদ্ধারের ব্যাপারে জানতে চাইলে কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, স্থানীয় সাংবাদিক আশরাফুজ্জামানের মাধ্যমে জানতে পারি কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের শিবগাতি বাসস্ট্যান্ডের উত্তর পাশে বালুর মাঠে অজ্ঞাত এক যুবক গত ১০ দিন যাবত অর্ধ মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে ফোর্স পাঠিয়ে তার পরিচয় নিশ্চিত হই। তার নাম সাদ্দাম মোল্লা পিতা তপন মোল্লা,গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ, গফর গাও, মুক্তার পাড়া গ্রামে। চিকিৎসা শেষে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে সাদ্দামকে তার বড় ভাই মজনু মোল্লা ও ছোট ভাই সাব্নির মোল্লার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তিটি পাঠক প্রিয় বাংলা অনলাইন বাংলাদেশ সকাল সর্বোচ্চ প্রচার করে। উল্লেখ্য সাংবাদিক আশরাফুজ্জামান বাংলাদেশ সকাল এর গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে আছেন। প্রায়ই মানবিক কাজে উপস্থিতি দেখা যায় সাংবাদিক আশরাফুজ্জামানকে। বাংলাদেশ সকাল পরিবার নিখোঁজ সাদ্দাম বাড়ির ঠিকানা খুঁজে পাওয়ায় আনন্দিত।
এ সময় নিখোঁজ সাদ্দাম মোল্লার বড় ভাই মজনু মোল্লা কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, এসআই রাজিব, কোয়ালীটি টিভির কাশিয়ানী উপজেলা প্রতিনিধি ওস্থানীয় জনগণ প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।




















