মোহাম্মদ মাসুদ॥ ময়মনসিংহের নান্দাইলে বাড়ির সীমানা বিরোধের জেরে চাঞ্চল্যকর আপন ভাগ্নেদের হাতে মামা খুনের ঘটনায় মামলা রুজু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টায় মূলহোতাসহ ৩ অভিযুক্তকে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ ও লালবাগ এলাকা থেকে আটক করেছে র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ।
আজ ২৯মার্চ মধ্যরাতে ২টায় কেরাণীগঞ্জ মডেল থানাধীন খোলামোড়া এলাকা থেকে আসামী ১।মোঃ আঃ রশিদ (৪০) ও ২।মোঃ রনি মিয়া (২২),এবং একই তারিখে লালবাগ থানাধীন শহীদনগর এলাকা থেকে আসামী ৩।মোঃ সজিব মিয়া (২২)’কে গ্রেফতার করে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম আসামীদের আপন মামা। দীর্ঘদিন যাবত একই বাড়িতে বসবাস।তাদের বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রায়শই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। গত ২৪ মার্চ সকালে ভিকটিম মোঃ মাজিদ উদ্দিন (৮২)কে বাড়ির উঠানে আসামী রশিদ বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের স্ত্রী খাতেন্নেছা (৬৫) উদ্ধার করতে আসলে তাকেও আসামী আল-আমিন লোহার দিয়ে মাথায় বারি মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় ০৯/১০ জন রক্তাক্ত অবস্থায় লাঠিসোঠা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। ভিকটিমের ছেলে মোঃ সুরুজ আলী (৪২) ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। আহতদের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তৎক্ষনাৎ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে সন্ধ্যায় ৭টায় মাজিদ উদ্দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। বর্তমানে ভিকটিমের স্ত্রী খাতেন্নেছা’র অবস্থা আশাংকামুক্ত।হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ভিকটিমের ছেলে মোঃ সুরুজ আলী বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
র্যাব১৪-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন- চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের অভিযানে আসামিদের আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামীদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। এমন লোমহর্ষক ঘটনার মতো যাতে আর কোন ঘটনার না ঘটে সে প্রেক্ষিতে র্যাবের টহল তৎপরতা ও গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




















