মোহাম্মদ জুবায়ের: রাউজানে সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও তার ছেলে ফারাজ করিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কাজী এমরানকে ১ আগস্ট ২০২৫, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে গহিরা চৌমুহনীতে কমিশনার কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশ আটক করেছে। স্থানীয় জনতা তাকে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করতে দেখে রাউজান থানায় খবর দিলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। কাজী এমরান, রাউজান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভী বাড়ির মৃত কাজী আব্দুল আলীর ছেলে এবং সাবেক কমিশনার কাজী ইকবালের ছোট ভাই, একাধিক মামলার পলাতক আসামি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কাজী এমরান আত্মগোপনে ছিলেন এবং সম্প্রতি নাশকতার পরিকল্পনায় নিজ এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা শুরু করেন। তিনি ফজলে করিম ও ফারাজ করিমের অপকর্মের মূল পরিকল্পনাকারী এবং নির্যাতনকারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে গুপ্ত হত্যা, লুটপাট, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, যেখানে তার ভাই কাজী ইকবালের নেতৃত্বাধীন গহিরার ‘আয়না ঘর’ অপকর্মের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বলে দাবি।
এলাকাবাসীর মতে, কাজী এমরানের জিজ্ঞাসাবাদে রাউজানের সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড ও ফজলে করিমের অবৈধ অস্ত্র ভাণ্ডারের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তার গ্রেফতারে স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছে এবং অন্যান্য পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। তারা প্রশাসন ও প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করছে, যাতে রাউজানে হত্যা ও নাশকতা বন্ধ হয়।
উল্লেখ্য, ফজলে করিম চৌধুরী ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে বিজিবি’র হাতে গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অবৈধ অস্ত্র ও জমি দখলসহ একাধিক মামলা রয়েছে।




















