যশোর অফিস: শার্শায় চলছে সাবেক উলাশী ইউনিয়ন এর মেম্বার ও নীলকুঠি জঙ্গলের পতিতা সর্দার তরিকুল ইসলাম মিলন এর তান্ডব। দ্বাদশ জাতিয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীর সমর্থকদের উপর এসব তান্ডব চালিয়ে খুন করার হুমকি প্রদান করছে বলে থানায় ৭জনকে আসমি করে আরো অজ্ঞাত ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে বাদি হয়ে ওই ইউনিয়ন এর বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।
আসামিরা হলোঃ- উলশী গ্রামের আব্বাস উদ্দিন এর ছেলে তরিকুল ইসলাম মিলন (৪০) রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল (৩২) আহম্মেদ আলীর ছেলে টুটুল (৩০) আসাদুল ওরফে নাককাটি (৩৬) আলাউদ্দিন এর ছেলে রাজু (৩৫) রাজ্জাক এর ছেলে আলীম (৩৫) ও পিপলুর ছেলে আশিক (২৮) সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন।
বাদি উলাশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, শার্শা উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীলীগের দুটি গ্রুপ রয়েছে। এর একটি নেতৃত্ব দেয় ৮৫-যশোর (শার্শা-১) এর সাংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন এবং অপরটির নেতৃত্ব দেয় যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর সভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। এই দুই নেতা ছিলেন শার্শা-১ আসন থেকে দ্বাদশ জাতিয় সংসদ নির্বাচন এর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনায়ন প্রত্যাশী। গত ২৬ নভেম্বর ঢাকা থেকে ঘোষনা আসেন বর্তমান সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন মনোনায়ন পেয়েছেন।এই সংবাদ প্রচার হওয়ার সাথে সাথে মিলন তার দলবল নিয়ে আমার উলাশী বাজারের ব্যক্তি গত অফিস ভাংচুর করে। সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং আশরাফুল আলম লিটন এর ছবি ছিড়ে ফেলে।
তিনি আরও বলেন, অফিসে থাকা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সে এখনো অফিস তার গুন্ডা বাহিনী নিয়ে নিজের দখলে নিয়েছে। এরপর ২৭ নভেম্বর সে আমার ইউনিয়ন পরিষদে যেয়ে চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসে অকথ্য ভাষায় গালাগালি এবং ইউনিয়ন পরিষদ সে চালাবে বলে ঘোষনা দেয়। সে আরো বলে আমি যদি এসব কাজে বাধা প্রদান করি তাহলে সে আমাকে খুন করিয়া ফেলিবে। তার দলবল বাহিনীর ভয়ে আমি পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপ্তা হীনতায় ভুগছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক এক ব্যক্তি বলেন, মিলন মেম্বার একজন দুষ্ট প্রকৃতির লোক। সে এর আগে উলাশী নীল কুঠি জঙ্গল নামে একটি পার্ক গড়ে তোলে। এবং সেখানে ছোট ছোট ঘর বানিয়ে সে প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে উঠতি বয়সের মেয়েদের এনে দেহ ব্যবসা করত। এলাকার পরিবেশ খারাপ হয়ে যাওয়ায় ওই পার্কের আশে পাশের মানুষ তাকে পিটিয়ে এলাকা ছাড়া করে এবং নীল কুঠি জঙ্গল নামে পার্কটি ভেঙ্গে দেয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শার্শা থানার ওসি আকিকুর রহমান বলেন, এরকম একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















