নিজস্ব প্রতিবেদক বাবলু মিয়া॥ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের গুডপাড়া জি,বি,জে, আফসার উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদের নিয়োগে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাদশা মিয়া নামের এক চাকুরী প্রত্যাশী মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বাদশা মিয়া গুড় পাড়া গ্রামের ওকিল উদ্দিনের ছেলে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, এই মাদ্রাসার নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি দেখে নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদের জন্য এলাকা থেকে নারী পুরুষ আবেদন করেন। চলতি বছরের(৬ই-জানুয়ারি) নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত হতে প্রার্থীদের হাতে হাতে চিঠি বিতরণ করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বাদশা মিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। (গত ২ই-ফেব্রুয়ারি)হঠাৎ তড়িঘড়ি করে পছন্দের কিছু প্রার্থীদের বাড়ি চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে(৩ ফেব্রুয়ারি)সকাল ৯টার সময় নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে সকল প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া হয়নি।গুড়পাড়া গ্রামের মোঃ আবু সাঈদের ছেলে মেহেদী হাসান, বলরামপুর গ্রামের আজিজুল রহমানের ছেলে মোঃ জিয়াউর রহমান বৈধ প্রার্থী হলেও তাদের (৩ই-ফেব্রুয়ারি) নিয়োগ বোর্ডে ডাকা হয়নি।
অভিযোগ উঠেছে, চিঠি পাওয়া এক প্রার্থীকে ফেন্সিডিল দিয়ে পুলিশে দেওয়া হবে। এই ঘটনার পরে এলাকায় মাদ্রাসা নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে মাদ্রাসা সুপার মোঃ ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ জানান, নিয়োগ বোর্ডের ঝামেলা হয়েছে, তাই বৃহস্পতিবার আমার মাদ্রাসার দপ্তর দিয়ে চিঠি বিতরণ করি যে শুক্রবার নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত হতে।
একদিন আগে চিঠি বিতরণ অনিয়ম কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটার বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না এটা মাদ্রাসার সভাপতি সাহেব জানেন। এর বেশি আমি কিছু বলতে পারবো না।
মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি জানি না চিঠি বিতরণ করেছে কিনা। তবে শুনেছি শুক্রবার নিয়োগ বোর্ড বসবে।
নিয়োগ অনিয়মের বিষয়ে মোঃ মেহেদী হাসান, ঝিনাইদহ বিজ্ঞ সহ-কারী জজ আদালতে মাদ্রাসার সভাপতি আফছার উদ্দিন, মাদ্রাসার সুপারেন্টেড, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কোটচাঁদপুর ঝিনাইদহ নামে মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিধি মোতাবেক নিয়োগ হয়েছে। এটা এখন আইন আদালতের ব্যাপার।




















